যামিন অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৪র্থ খণ্ড

যামিন অধ্যায়

 যামিন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

যামিন অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১৪৫ – আল্লাহ তা’আলার বাণী : যাদের সঙ্গে অঙ্গীকারাবদ্ধ তাদের অংশ দিয়ে দিবে (৪: ৩৩)।

হাদীস নং ২১৪৫

সালত ইবনে মুহাম্মদ রহ……….ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ولكل جعلنا موالى আয়াতে موالى শব্দের অর্থ উত্তরাধিকারী।

আর والذين عقدت أيمانكم আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে তিনি (ইবনে আব্বাস রা.) বলেন,

মদীনায় মুহাজিরদের নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আগমনের পর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন স্থাপন করেন, তার ভিত্তিতে মুহাজিররা আনসারদের উত্তরাধিকারী হত, কিন্তু আনসারদের আত্মীয়-স্বজনরা ওয়ারিস হত না।

যখন এ ولكل جعلنا موالى আয়াত নাযিল হল, তখন والذين عقدت আয়াতের হুকুম রহিত হয়ে গেল। তারপর তিনি আরো বলেন, উপরোক্ত আয়াতের প্রেক্ষিতে মুহাজির ও আনসারদের পারস্পারিক সাহায্য-সহযোগিতা ও আদেশ-উপদেশের হুকুম বাকী রয়েছে।

কিন্তু তাদের জন্য মীরাস বা উত্তরাধিকার স্বত্ব রহিত হয়ে গেছে। অবশ্য তাদের জন্য ওসীয়াত করা যেতে পারে।

বুখারি হাদিস নং ২১৪৬

হাদীস নং ২১৪৬

কুতাইবা রহ…………আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবদুর রাহমান ইবনে আওফ রা. যখন আমাদের নিকট (মদীনুয়) আসেন, তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ও সাদ ইবনে রাবী-এর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব সম্পর্ক স্থাপন করেন।

 যামিন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১৪৭

হাদীস নং ২১৪৭

মুহাম্মদ ইবনে সাব্বাহ রহ………আসিম রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনে মালিক রা.-কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনার নিকট কি এ হাদীস পৌছেছে যে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : ইসলামে হিলফ (জাহিলী যুগের সহযোগিতা চুক্তি) নেই ?

তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে কুরাইশ এবং আনসারদের মধ্যে সহযোগিতা চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন।

বুখারি হাদিস নং ২১৪৮ – যদি কোন ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির ঋণের যামানত গ্রহণ করে, তবে তার এ দায়িত্ব প্রত্যাহারের ইখতিয়ার নেই।

হাদীস নং ২১৪৮

আবু আসিম রহ………..সালামা ইবনে আকওয়া রা. থেকে বর্ণিত যে, একদিন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে সালাতে জানাযা আদায়ের জন্য একটি জানাযা উপস্থিত করা হল।

তিনি বললেন : তার কি কোন ঋণ আছে? তারা বলল, না । তখন তিনি তার জানাযার সালাত আদায় করলেন। তারপর আরেকটি জানাযা উপস্থিত করা হল।

তিনি জিজ্ঞাসা করলেন : তার কি কোন ঋণ আছে? তারা বলল, হ্যাঁ । তিনি বললেন : তোমাদের এ লোকটির সালাত তোমরাই আদায় করে নাও।

আবু কাতাদা রা. বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! তার ঋণের জন্য আমি দায়ী। তখন তিনি তার জানাযার সালাত আদায় করলেন।

বুখারি হাদিস নং ২১৪৯

হাদীস নং ২১৪৯

আলী ইবনে আবদুল্লাহ রহ………জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন : যদি বাহরাইনের মাল এসে যায় তাহলে আমি তোমাকে এতো এতো দেব।

কিন্তু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত পর্যন্ত বাহরাইনের মাল এসে পৌছায়নি। পরে যখন বাহরাইনের মাল পৌঁছল, আবু বকর রা.-এর আদেশে ঘোষণা করা হল, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যার অনুকুলে কোন প্রতিশ্রুতি বা ঋণ রয়েছে সে যেন আমার নিকট আসে।

আমি তার নিকট গিয়ে বললাম, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এতো এতো দিবেন বলেছিলেন। তখন আবু বকর রা. আমাকে এক অঞ্জলী ভরে দিলেন, আমি তা গণনা করলাম এতে পাঁচশ ছিল। তারপর তিনি বললেন, এর দ্বিগুণ নিয়ে নাও।

 যামিন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১৫০ – হুজুরে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে আবু বকর সিদ্দীক রা. কর্তৃক (মুশরিকদের) নিরাপত্তা দান এবং তার চুক্তি সম্পাদন।

হাদীস নং ২১৫০

ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর রহ……… নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যেদিন থেকে আমার জ্ঞান হয়েছে সেদিন থেকেই আমি আমার পিতা-মাতাকে দীনের অনুসারী হিসাবেই পেয়েছি।

আবু আবদুল্লাহ রহ. বলেন, আবু সালিহ রহ……..আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যেদিন থেকে আমার জ্ঞান হয়েছে সেদিন থেকেই আমি আমার পিতা-মাতাকে দীন ইসলামের অনুসারী হিসাবেই পেয়েছি এবং আমাদের এমন কোন দিন যায়নি, যে দিনের দূরপ্রান্তে সকাল-সন্ধ্যায় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসেননি।

যখন মুসলিমগণ কঠিন বিপদের সম্মুখীন হলেন তখন আবু বকর রা. হাবশা অভিমুখে হিজরতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন। যখন তিনি বারকুল গিমাদ নামক স্থানে এসে পৌঁছলেন তখন ইবনে দাগিনা তার সাথে সাক্ষাত করল।

সে ছিল কারা গোত্রের নেতা। সে বলল, হে আবু বকর ! আপনি কোথায় যেতে ইচ্ছা করেছেন ? আবু বকর রা. বললেন, আমার গোত্র আমাকে বের করে দিয়েছে, তাই আমি ইচ্ছা করেছি যে, দেশে দেশে ঘুরে বেড়াবো আর আমার প্রতিপালকের ইবাদত করব। ইবনে দাগিনা বলল, আপনার মত লোক বেরিয়ে যেতে পারে না এবং আপনার মত লোককে বহিষ্কার করাও চলে না।

কেননা আপনি নিঃস্ব কে সাহায্য করেন, আত্মীয়তার বন্ধানকে রক্ষা করেন, অক্ষমের বোঝা নিজে বহন করেন, মেহমানদারি করেন এবং দুর্যোগের সময় মানুষকে সাহায্য করেন।

আমি আপনার আশ্রয়দাতা। কাজেই আপনি মক্কায় ফিরে চলুন এবং নিজ শহরে গিয়ে আপন প্রতিপালকের ইবাদত করুন। তারপর ইবনে দাগিনা আবু বকর রা. কে সঙ্গে নিয়ে ফিরে এল।

সে কাফির কুরাইশদের যারা নেতা তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করল এবং তাদেরকে বলল, আবু বকর রা.-এর মত লোক বেরিয়ে যেতে পারে না এবং তার মত লোককে বহিষ্কার করাও চলে না।

আপনারা কি এমন একজন লোককে বহিষ্কার করতে চান, যে নিঃস্ব কে সাহায্য করে, আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করে, অক্ষমের বোঝা বহন করে, মেহমানের মেহমানদারি করে এবং দুর্যোগের সময় মানুষকে সাহায্য করে।

আবু বকর রা. কে ইবনে দাগিনার আশ্রয় প্রদান কুরাইশরা মেনে নিল এবং তারা আবু বকর রা.-কে নিরাপত্তা দিয়ে ইবনে দাগিনা বলল, আপনি আবু বকরকে বলে দিন, তিনি যেন নিজ বাড়ীতে তাঁর প্রতিপালকের ইবাদত করেন, সেখানে যেন সালাত আদায় করেন এবং তাঁর যা ইচ্ছা তা যেন পড়েন।

এ ব্যাপারে তিনি যেন আমাদেরকে কোন কষ্ট না দেন এবং তিনি যেন প্রকাশ্যে সালাত ও তিলাওয়াত না করেন। কেননা, আমরা আশংকা করছি যে, তিনি আমাদের স্ত্রী-পুত্রদের ফিতনায় লিপ্ত না করেন।

ইবনে দাগিনা এসব কথা আবু বকর রা.-কে বলল। আবু বকর রা. নিজ বাড়িতেই তার প্রতিপালকের ইবাদত করতে থাকেন, নিজ বাড়ী ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ্যে সালাত আদায় এবং কুরআন তিলাওয়াত করতে লাগলেন।

ফলে মুশরিকদের স্ত্রী-পুত্ররা তাঁর কাছে ভিড় জমাতে লাগল। তাদের কাছে তা ভাল লাগত এবং তাঁর প্রতি তারা তাকিয়ে থাকত। আবু বকর রা. ছিলেন অতি ক্রন্দন শীল ব্যক্তি। যখন তিনি কুরআন তিলাওয়াত করতেন তখন অশ্রু সংবরণ করতে পারতেন না।

অ এতে কুরাইশদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা ঘাবড়িয়ে গেল। তারা ইবনে দাগিনাকে ডেকে পাঠাল। সে তাদের কাছে আসার পর তারা তাকে বলল, আমরা তো আবু বকর রা. -কে এই শর্তে আশ্রয় ও নিরাপত্তা দিয়েছিলাম যে, তিনি নিজ গৃহে তাঁর প্রতিপালকের ইবাদত করবেন।

 যামিন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

কিন্তু তিনি তা লংঘন করে নিজ গৃহের আঙ্গিনায় মসজিদ বানিয়েছেন এবং (তাতেই) প্রকাশ্যভাবে সালাত আদায় ও কুরআন তিলাওয়াত করেছেন। এতে আমাদের ভয় হচ্ছে যে, তিনি আমাদের স্ত্রী-পুত্রদের ফিতনায় লিপ্ত করবেন।

কাজেই আপনি তাকে গিয়ে বলুন, তিনি যদি নিজ গৃহে তাঁর প্রতিপালকের ইবাদত সীমাবদ্ধ রাখতে চান তবে তিনি তা করতে পারেন। আর যদি তিনি অস্বীকার করেন এবং প্রকাশ্যে এসব করতে চান তবে আপনি তাকে বলুন, তিনি যেন আপনার যিম্মাদারী ফিরিয়ে দেন।

কেননা আমরা যেমন আপনার সাথে অঙ্গীকার ভঙ্গ করা পছন্দ করি না, তেমনি আবু বকর রা. প্রকাশ্যে ইবাদত করাটা মেনে নিতে পারি না। আয়িশা রা. বলেন, তারপর ইবনে দাগিনা আবু বকর রা.-এর নিকট এসে বলল, যে শর্তে আমি আপনার যিম্মাদারী নিয়ে ছিলাম, তা আপনার জানা আছে।

হয়ত আপনি সে শর্তের উপর সীমাবদ্ধ থাকুন, নয়ত আমার যিম্মাদারী আমাকে ফেরত দিন। কেননা, কোন ব্যক্তির সাথে আমি নিরাপত্তার চুক্তি করার পর আমার পক্ষ থেকে তা ভঙ্গ করা হয়েছে, এমন একটা কথা আরব জাতি শুনতে পাক তা আমি আদৌ পছন্দ করি না।

আবু বকর রা. বললেন, আমি আপনার যিম্মাদারী ফেরত দিচ্ছি এবং আল্লাহর আশ্রয় লাভেই আমি সন্তুষ্ট। এ সময় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় ছিলেন।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : আমাকে (স্বপ্নযোগে) তোমাদের হিজরতের স্থান দেখানো হয়েছে। আমি খেজুর বৃক্ষে পরিপূর্ণ একটি কংকরময় স্থান দেখলাম, যা দুটি প্রান্তরের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন এ কথা বললেন, তখন যারা হিজরত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তাদের কেউ কেউ মদীনার দিকেই হিজরত করলেন।

আর যারা আবিসিনিয়ায় হিজরত করছিলেন তাদের কেউ কেউ মদীনার দিকে ফিরে গেলেন। আবু বকর রা.-ও হিজরতের জন্য তৈরী হলেন। তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, আপনি অপেক্ষা করুন।

কেননা, আমি নিশ্চিতভাবে আশঅ করছি যে, আমাকেও হিজরতের অনুমতি দেয়া হবে। আবু বকর রা. বললেন, আমার পিতা আপনার জন্য উৎসর্গ হোক, আপনি কি আশা করেন যে, আপনি অনুমতি পাবেন ? তিনি বললেন, হ্যাঁ।

তখন আবু বকর রা. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গী হওয়ার উদ্দেশ্যে নিজেকে বিরত রাখলেন এবং তাঁর নিকট যে দুটি উট ছিল, তাদেরকে চার মাস ধরে বাবলা গাছের পাতা খাওয়াতে থাকলেন।

 যামিন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১৫১

হাদীস নং ২১৫১

ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর রহ……….আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যখন কোন ঋণী ব্যক্তির জানাযা উপস্থিত করা হত তখন তিনি জিজ্ঞাসা করতেন, সে তার ঋণ পরিশোধের জন্য অতিরিক্ত মাল রেখে গেছে কি ?

যদি তাকে বল হত যে সে তার ঋণ পরিশোধের মত মাল রেখে গেছে তখন তার জানাযার সালাত আদায় করতেন। নতুবা বলতেন, তোমাদের সাথীর জানাযা আদায় করে নাও।

পরবর্তীতে যখন আল্লাহ তাঁর বিজয়ের দ্বার উন্মুক্ত করে দেন, তখন তিনি বললেন, আমি মুমিনদের জন্য তাদের নিজের চাইতেও অধিক নিকটবর্তী।

তাই কোন মুমিন ঋণ রেখে মারা গেলে সে ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব আমার। আর যে ব্যক্তি সম্পদ রেখে যায়, সে সম্পদ তার ওয়ারিসদের জন্য।

আরও পড়ুনঃ

ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৪র্থ খণ্ড

ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৪র্থ খণ্ড

ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৪র্থ খণ্ড

সলম অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৪র্থ খণ্ড

ইজারা অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৪র্থ খণ্ড

মন্তব্য করুন