পানি সিঞ্চন অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৪র্থ খণ্ড

পানি সিঞ্চন অধ্যায়

 পানি সিঞ্চন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

Table of Contents

 পানি সিঞ্চন অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১৯৭ – পানি বন্টনের হুকুম।

হাদীস নং ২১৯৭

সাঈদ ইবনে আবু মারয়াম রহ……….সাহল ইবনে সাদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট একটি পিয়ালা আনা হল। তিনি তা থেকে পান করলেন।

তখন তাঁর ডান দিকে ছিল একজন বয়ঃকনিষ্ঠ বালক আর বয়স্ক লোক ছিলেন তাঁর বাম দিকে। তিনি বললেন, হে বালক ! তুমি কি আমাকে অবশিষ্ট (পানিটুকু) বয়স্কদের কে দেওয়ার অনুমতি দিবে ?

সে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আপনার অবশিষ্ট পানির ব্যাপারে আমি কাউকে প্রাধান্য দিব না। এরপর তিনি তা তাকে দিলেন।

বুখারি হাদিস নং ২১৯৮

হাদীস নং ২১৯৮

আবুল ইয়ামান রহ………আনাস ইবনে মালিক রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য একটি বকরীর দুধ দোহন করা হল।

তখন তিনি আনাস ইবনে মালিক রা.-এর ঘরে অবস্থান করছিলেন এবং সেই দুধের সঙ্গে আনাস ইবনে মালিকের বাড়ীর কূপের পানি মিশানো হল। তারপর পাত্রটি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেওয়া হল। তিনি তা থেকে পান করলেন।

পাত্রটি তাঁর মুখ থেকে আলাদা করার পর তিনি দেখলেন যে, তাঁর বাঁদিকে আবু বকর রা. ও বাম দিকে একজন বেদুঈন রয়েছে।

পাত্রটি তিনি হয়ত বেদুঈনকে দিয়ে দেবেন এ আশংকায় উমর রা. বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আবু বকর রা. আপনার পাশেই, তাকে পাত্রটি দিন।

তিনি বেদুঈনকে পাত্রটি দিলেন, যে তাঁর ডানপাশে ছিল। তারপর তিনি বললেন, ডানদিকের লোক বেশী হকদার।

বুখারি হাদিস নং ২১৯৯ – যিনি বলেন পানির মালিক পানি ব্যবহারের বেশী হকদার তার জমি পানি সিঞ্চিত না হওয়া পর্যন্ত।

হাদীস নং ২১৯৯

আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ রহ…………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : ঘাস উৎপাদন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি রুখে রাখা যাবে না।

বুখারি হাদিস নং ২২০০

হাদীস নং ২২০০

ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর রহ……….আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : অতিরিক্ত ঘাসে বাঁধা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত পানি রুখে রাখবে না।

বুখারি হাদিস নং ২২০১ – কেউ যদি নিজের জায়গায় কূপ খনন করে তাহলে মালিক তার জন্য দায়ী নয়।

হাদীস নং ২২০১

মাহমুদ রহ……….আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : খনি ও কূপে কাজ করা অবস্থায় অথবা জন্তু-জানোয়ারের আঘাতে মারা গেলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না এবং রিকাযে পঞ্চমাংশ দিতে হবে।

 পানি সিঞ্চন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২২০২ – কূপ নিয়ে বিবাদ এবং এ ব্যাপারে ফায়সালা।

হাদীস নং ২২০২

আবদান রহ……….আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে ব্যক্তি কোন মুসলমানদের অর্থ-সম্পদ আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা কসম খায়, সে আল্লাহর সঙ্গে এমন অবস্থায় মিলিত হবে যে, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট থাকবেন।

এ প্রেক্ষিতে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেন : “যারা আল্লাহর সাথে কৃত প্রতিশ্রুতিও নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে………এর শেষ পর্যন্ত। (৩ : ৭৭) এরপর আশআস রা. এসে বলেন, আবু আবদুর রাহমান রা. তোমার নিকট কি হাদীস বর্ণনা করছিলেন ?

এ আয়াতটি তো আমার সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। আমার চাচাতো ভাইয়ের জায়গায় আমার একটি কূপ ছিল। (এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে বিবাদ হওয়ায়) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন : তোমার সাক্ষী পেশ কর।

আমি বললাম, আমার সাক্ষী নেই। তিনি বললেন : তাহলে তাকে কসম খেতে হবে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! সে তো কসম করবে।

এ সময় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীস বর্ণনা করেন এবং আল্লাহ তা’আলা তাকে সত্যায়িত করে এই আয়াতটি নাযিল করেন।

বুখারি হাদিস নং ২২০৩ – যে ব্যক্তি মুসাফিরকে পানি দিতে অস্বীকার করে, তার পাপ।

হাদীস নং ২২০৩

মূসা ইবনে ইসমাঈল রহ………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : কিয়ামতের দিন তিন শ্রেণীর লোকের প্রতি আল্লাহ তা’আলা দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদের পবিত্র করবেন না।

আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। এক ব্যক্তি যার নিকট প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি আছে, অথচ সে মুসাফিরকে তা দিতে অস্বীকার করে।

অন্য একজন সে ব্যক্তি, যে ইমামের হাতে একমাত্র দুনিয়ার স্বার্থে বায়আত হয়। যদি ইমাম তাকে দুনিয়াবি সুযোগ দেন, তাহলে সে খুশী হয়, আর যদি না দেন তবে সে অসন্তুষ্ট হয়।

অন্য একজন সে ব্যক্তি, যে আসরের সালাত আদায়ের পর তার জিনিসপত্র (বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে) তুলে ধরে আর বলে যে, আল্লাহর কসম, যিনি ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই, আমার এই দ্রব্যের মূল্য এতো দিতে আগ্রহ করা হয়েছে।

(কিন্তু আমি বিক্রি করিনি) এতে এক ব্যক্তি তাকে বিশ্বাস করে (তা ক্রয় করে নেয়) এরপর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেন, “যারা আল্লাহর কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে (৩:৭৭)।

বুখারি হাদিস নং ২২০৪ – নদী-নালায় বাঁধ দেওয়া।

হাদীস নং ২২০৪

আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ রহ………আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক আনসারী নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে যুবাইর রা.-এর সঙ্গে হাররার নালার পানির ব্যাপারে ঝগড়া করল, যে পানি দ্বারা খেজুর বাগন সিঞ্চন করত।

আনসারী বলল, নালার পানি ছেড়ে দিন, যাতে তা (প্রবাহিত থাকে) কিন্তু যুবাইর রা. তা দিতে অস্বীকার করেন। তারা দু’জনে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে এ নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবাইর রা.-কে বললেন : হে যুবাইর !

তোমার যমীনে (প্রথমে) সিঞ্চন করে নাও। এরপর তোমার প্রতিবেশীর দিকে পানি ছেড়ে দাও। এতে আনসারী অসন্তুষ্ট হয়ে বলল, সে তো আপনার ফুফাত ভাই।

এতে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারায় অসন্তুষ্টির লক্ষণ প্রকাশ পেল। এরপর তিনি বললেন : হে যুবাইর ! তুমি নিজের জমি সিঞ্চন কর।

এরপর পানি আটকিয়ে রাখ, যাতে তা বাঁধ পর্যন্ত পৌঁছে। যুবাইর রা. বললেন : আল্লাহর কসম, আমার মনে হয়, এ আয়াতটি এ সম্পর্কে নাযিল হয়েছে : “কিন্তু না, তোমার রবের কসম ! তারা মুমিন হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের বিবাদ বিসম্বাদের বিচার ভার আপনার উপর অর্পন না করে (৪: ৬৫)।

 পানি সিঞ্চন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২২০৫ – নীচু জমির আগে উচু জমিতে সিঞ্চন।

হাদীস নং ২২০৫

আবদান রহ………উরওয়া রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যুবাইর রা. এক আনসারীর সঙ্গে ব্যাপারে ঝগড়া করলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবাইর রা.-কে বললেন : হে যুবাইর !

জমিতে পানি সেচের পর তা ছেড়ে দাও। এতে আনসারী বলল, সে তো আপনার ফুফাত ভাই। এরপর তিনি বললেন : হে যুবাইর ! পানি বাঁধে পৌঁছা পর্যন্ত সেচ দিতে থাক।

তারপর বন্ধ করে দাও। যুবাইর রা. বললেন : আমার মনে হয়, এ আয়াতটি এ সম্পর্কে নাযিল হয়েছে : “কিন্তু না, তোমার রবের কসম ! তারা মুমিন হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের বিবাদ বিসম্বাদের বিচার ভার আপনার উপর অর্পন না করে (৪: ৬৫)।

বুখারি হাদিস নং ২২০৬ – উচু জমির মালিক পায়ে টাখনু পর্যন্ত পানি ভরে নিবে।

হাদীস নং ২২০৬

মুহাম্মদ রহ………উরওয়া ইবনে যুবাইর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একজন আনসারী যুবাইর রা.-এর সঙ্গে হাররার নালার পানির ব্যাপারে ঝগড়া করল, যে পানি দ্বারা খেজুর বাগান সিঞ্চন করত।

এ বিষয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : হে যুবাইর ! সেচ দিতে থাক। তারপর নিয়ম-নীতি অনুযায়ী তিনি তাকে নির্দেশ দিলেন, তারপর তা তোমার প্রতিবেশীর জন্য ছেড়ে দাও।

এতে আনসারী বলল, সে তো আপনার ফুফাত ভাই। এতে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারায় অসন্তুষ্টির লক্ষণ প্রকাশ পেল। এরপর তিনি বললেন : হে যুবাইর !

পানি বাঁধে পৌঁছা পর্যন্ত সেচ দিতে থাক। তারপর বন্ধ করে দাও। যুবাইরকে তার পূর্ন হক দিলেন। যুবাইর রা. বললেন : আল্লাহর কসম, আমার মনে হয়, এ আয়াতটি এ সম্পর্কে নাযিল হয়েছে : “কিন্তু না, তোমার রবের কসম !

তারা মুমিন হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের বিবাদ বিসম্বাদের বিচার ভার আপনার উপর অর্পন না করে (৪: ৬৫)।

বর্ণনাকারী বলেন, ইবনে শিহাবের বর্ণনা হচ্ছে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ কথা পানি নেয়ার পর বাঁধ অবধি পৌছা পর্যন্ত তা বন্ধ রাখ। আনসার এবং অন্যান্য লোকেরা এর পরিমাণ করে দেখেছেন যে, তা টাখনু পর্যন্ত পৌঁছে।

বুখারি হাদিস নং ২২০৭ – পানি পান করানোর ফযীলত।

হাদীস নং ২২০৭

আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ রহ……….আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : একজন লোক রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে তার ভীষণ পিপাসা লাগল।

সে কূপে নেমে পানি পান করল। এরপর সে বের হয়ে দেখতে পেল যে, একটা কুকুর হাঁপাচ্ছে এবং পিপাসায় কাতর হয়ে মাটি চাটছে। সে ভাবল, কুকুরটাও আমার মত পিপাসা লেগেছে।

সে কূপের মধ্যে নামল এবং নিজের মোজা ভরে পানি নিয়ে মুখ দিয়ে সেটি ধরে উপরে উঠে এসে কুকুরটিকে পানি পান করাল।

আল্লাহ পাক তার আমল কবুল করলেন এবং আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে দেন। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! চতুষ্পদ জন্তুর উপকার করলেও কি আমাদের সাওয়াব হবে? তিনি বললেন : প্রত্যেক প্রাণীর উপকার করাতেই সাওয়াব রয়েছে।

বুখারি হাদিস নং ২২০৮

হাদীস নং ২২০৮

ইবনে আবু মারয়াম রহ…….আসমা বিনতে আবু বকর রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য গ্রহণের সালাত আদায় করলেন।

তারপর বললেন : দোযখ আমার নিকটবর্তী করা হলে আমি বললাম, হে রব, আমিও কি এই দোযখীদের সাথী হব? এমতাবস্থায় একজন মহিলা আমার নযরে পড়ল।

বর্ণনাকারী বলেন, আমার ধারণা, তিনি বলেছেন : বিড়াল তাকে (মহিলা) খামছাচ্ছিল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এ মহিলার কি হল? ফেরেশতারা জবাব দিলেন, সে একটি বিড়াল বেঁধে রেখেছিল, যার কারণে বিড়ালটি ক্ষুধায় মারা যায়।

 পানি সিঞ্চন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২২০৯

হাদীস নং ২২০৯

ইসমাঈল রহ……….আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : একজন মহিলাকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেওয়া হয়।

সে বিড়ালটি বেঁধে রেখেছিল, অবশেষে বিড়ালটি মারা যায়। এ কারণে মহিলা জাহান্নামে প্রবেশ করল।

বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আল্লাহ ভালো জানেন, বাঁধা থাকাকালীন তুমি তাকে না খেতে দিয়েছিলে, না পান করতে দিয়েছিলে এবং না তুমি তাকে ছেড়ে দিয়েছিলে, তাহলে সে যমীনে পোক-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত।

বুখারি হাদিস নং ২২১০ – যাদের মতে হাউজ ও মশকের মালিক, সে পানির অধিক হকদার।

হাদীস নং ২২১০

কুতাইবা রহ………সাহল ইবনে সাদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একটি পানির পেয়ালা আনা হল। তিনি তা থেকে পান করলেন।

তাঁর ডানদিকে একজন বালক ছিল, সে ছিল লোকদের মধ্যে সবচাইতে কম বয়স্ক এবং বয়োজ্যেষ্ঠ লোকেরা তার তার বাম দিকে ছিল।

তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : হে বালক! তুমি কি আমাকে জ্যেষ্ঠদের এটি দিতে অনুমতি দিবে ? সে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমি আপনার উচ্ছিষ্টের ব্যাপারে নিজের উপর কাউকে প্রাধান্য দিতে চাই না। এরপর তিনি তাকেই সেটি দিলেন।

বুখারি হাদিস নং ২২১১

হাদীস নং ২২১১

মুহাম্মদ ইবনে বাশশার রহ……..আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :

সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ, আমি নিশ্চয়ই (কিয়ামতের দিন) আমার হাউজ (কাউসার) থেকে কিছু লোকদেরকে এমনভাবে তাড়াব, যেমন অপরিচিত উট হাউজ হতে তাড়ান হয়।

বুখারি হাদিস নং ২২১২

হাদীস নং ২২১২

আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ রহ…….ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : ইসমাঈল আ.-এর মা হাজেরা আ.-এর উপর আল্লাহ রহম করুন।

কেননা যদি তিনি যমযমকে স্বাভাবিক অবস্থায় ছেড়ে দিতেন অথবা তিনি বলেছেন : যদি তা হতে অঞ্জলে পানি না নিতেন, তাহলে তা একটি প্রবাহিত ঝরনায় পরিণত হত।

জুরহাম গোত্র তাঁর নিকট এসে বলল, আপনি কি আমাদেরকে আপনার নিকট অবস্থান করার অনুমতি দিবেন? তিনি (হাজেরা) বললেন, হ্যাঁ। তবে পানির উপর তোমাদের কোন অধিকার থাকবে না। তারা বলল, ঠিক আছে।

বুখারি হাদিস নং ২২১৩

হাদীস নং ২২১৩

আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ রহ……….আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তিন শ্রেণীর লোকের সাথে আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না এবং তাদের প্রতি তাকাবেনও না ।

(এক) যে ব্যক্তি কোন মাল সামানের ব্যাপারে মিথ্যা কসম খেয়ে বলে যে, এর দাম এর চেয়ে বেশী বলে ছিল কিন্তু তা সত্ত্বেও সে তা বিক্রি করেনি।

(দুই) যে ব্যক্তি আসারের সালাতের পর একজন মুসলমানের মাল-সম্পত্তি আত্মসাত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা কসম করে। (তিন) যে ব্যক্তি তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি মানুষকে দেয় না।

আল্লাহ তা’আলা বলবেন (কিয়ামতের দিন) আজ আমি আমার অনুগ্রহ থেকে তোমাকে বঞ্চিত রাখব। যেরূপ তুমি তোমার প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি থেকে বঞ্চিত রেখে ছিলে অথচ তা তোমার হাতের তৈরী নয়।

আলী রহ. আর সালিহ রহ. থেকে বর্ণিত যে, তিনি হাদীসের সনদটি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন।

বুখারি হাদিস নং ২২১৪ – সংরক্ষিত চারণভূমি রাখা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া আর কারো অধিকার নেই।

হাদীস নং ২২১৪

ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর রহ………সাব ইবনে জাসসামা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : চারণভূমি সংরক্ষিত করা আল্লাহ ও তাঁর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া আর কারো অধিকারে নেই।

তিনি বলেন, আমাদের নিকট রিওয়ায়েত পৌছেছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাকীর চারণভূমি (নিজের জন্য) সংরক্ষিত করেছিলেন, আর উমর রা. সারাফ ও রাবাযার চারণভূমি সংরক্ষণ করেছিলেন।

বুখারি হাদিস নং ২২১৫ – নহর থেকে মানুষ ও চতুষ্পদ জন্তুর পানি পান করা।

হাদীস নং ২২১৫

আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ রহ………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : ঘোড়া একজনের জন্য সাওয়াব, একজনের জন্য ঢাল এবং আরেকজনের জন্য পাপ।

সাওয়াব হয় তার জন্য, যে আল্লাহর রাস্তায় তা জিহাদের উদ্দেশ্যে বেঁধে রাখে এবং সে ঘোড়ার রশি চারণভূমি বা বাগানে লম্বা করে দেয়। এমতাবস্থায় সে ঘোড়া চারণভূমি বা বাগানে তার রশির দৈর্ঘ্য পরিমাণ যতটুকু চরবে, সে ব্যক্তির জন্য সে পরিমাণ সাওয়াব হবে।

যদি তার রশি ছিড়ে যায় এবং সে একটি কিংবা দুটি টিলা অতিক্রম করে, তাহলে তার প্রতিটি পদচিহ্ন ও তার গোবর মালিকের ইচ্ছা ব্যতিরেকে সে তা থেকে পানি পান করে, তাহলে এ জন্য মালিক সাওয়াব পাবে।

আর ঢাল সরূপ সে লোকের জন্য, যে মুখাপেক্ষী ও ভিক্ষা নির্ভরতা থেকে বাঁচার জন্য তাকে বেঁধে রাখে। তারপর এর পিঠে ও গর্দানে আল্লাহর নির্ধারিত হক আদায় করতে ভুলে করে না।

গুনাহর কারণ সে লোকের জন্য, যে তাকে অহংকার ও লোক দেখাবার কিংবা মুসলমানদের প্রতি শত্রুতার উদ্দেশ্যে বেঁধে রাখে।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে গাধা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমার প্রতি কোন আয়াত নাযিল হয়নি।

তবে এ ব্যাপারে একটি পরিপূর্ণ ও অনন্য আয়াত রয়েছে। (তা হল আল্লাহ তা’আলার এ বাণী) কেউ অনু পরিমাণ সৎকর্ম করলে সে তা দেখতে পাবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে সে তাও দেখতে পাবে” (৯৯ : ৭-৮)।

 পানি সিঞ্চন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২২১৬

হাদীস নং ২২১৬

ইসমাঈল রহ………যায়েদ ইবন খালিদ আল-জুহানী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একজন লোক নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে পড়ে থাকা জিনিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল।

তিনি বললেন : থলেটি এবং তার মুখের বন্ধনটি চিনে রাখ। তারপর এক বছর পর্যন্ত তা ঘোষণা করতে থাক। যদি তার মালিক এসে যায় তো ভাল।

তা নাহলে সে ব্যাপারে তুমি যা ভাল মনে কর তা করবে। সে আবার জিজ্ঞাসা করল, হারানো বকরি কি করব? তিনি বললেন : সেটি হয় তোমার, না হয় তোমার ভাইয়ের, না হয় নেকড়ে বাঘের।

সে আবার জিজ্ঞাসা করল, হারানো উট হলে কি করব? তিনি বললেন :তাঁতে তোমার প্রয়োজন কি ? তার সঙ্গে তার মশক ও খুর রয়েছে। সে জলাশয়ে উপস্থিত হয়ে গাছ-পালা খাবে, শেষ পর্যন্ত তার মালিক তাকে পেয়ে যাবে।

বুখারি হাদিস নং ২২১৭ – শুকনো লাকড়ী ও ঘাস বিক্রি করা।

হাদীস নং ২২১৭

মুয়াল্লা ইবনে আসাদ রহ………যুবাইর ইবনে আওয়াম রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :

তোমাদের কেউ রশি নিয়ে লাকড়ীর আটি বেঁধে তা বিক্রি করে, এতে আল্লাহ তা’আলা তার সম্মান রক্ষা করেন, এটা তার জন্য মানুষের কাছে ভিক্ষা করার চাইতে উত্তম।

লোকজনের নিকট এমন চাওয়ার চেয়ে, যে চাওয়ায় কিছু পাওয়া যেতে পারে বা নাও পারে।

বুখারি হাদিস নং ২২১৮

হাদীস নং ২২১৮

ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর রহ………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : কারো নিকট সাওয়াল করা, যাতে সে তাকে কিছু দিতেও পারে আবার নাও দিতে পারে, এর চেয়ে পিঠে বোঝা বহন করা (তা বিক্রি করা) উত্তম।

বুখারি হাদিস নং ২২১৯

হাদীস নং ২২১৯

ইবরাহীম ইবনে মূসা রহ………আলী ইবনে আবু তালিব রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আমি মালে গনীমত হিসাবে একটি উট লাভ করি।

তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আরো একটি উট দেন। একদিন আমি উট দুটিকে একজন আনসারীর ঘরের দরজায় বসাই।

আমার ইচ্ছা ছিল এদের উপর ইযখির (এক ধরণের ঘাস) চাপিয়ে তা বিক্রি করতে নিয়ে যাব। আমার সাথে বনূ কায়নুকার একজন স্বর্ণকার ছিল। আমি এর দ্বারা ফাতিমা রা.-এর ওলীমা করতে সমর্থ হব। সে ঘরে হামযা ইবনে আবদুল মুত্তালিব রা. শরাব পান করছিলেন। আর তাঁর সাথে একজন গায়িকাও ছিল।

সে বলল, হে হামযা ! তৈরী হও, মোটা উটগুলোর উদ্দেশ্যে। এরপর হামযা রা. উট দুটোর দিকে তরবারি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং তাদের কুজ দুটিও কেটে নিলেন এবং পেট ফেড়ে উভয়ের কলিজা বের করে নিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ইবনে শিহাব রহ.-কে জিজ্ঞাসা করি, কুজ কি করা হল?

তিনি বলেন, সেটি কেটে দিল। এরপর আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তাঁর নিকট তখন যায়েদ ইবেন হারিসা রা. উপস্থিত ছিলেন। আমি তাকে খবর বললাম।

তিনি বের হলেন এবং তাঁর সঙ্গে ছিলেন যায়েদ রা.। আমিও তাঁর সঙ্গে গেলাম। তিনি হামযা রা.-এর নিকট উপস্থিত হলেন এবং তার প্রতি ক্রোধ প্রকাশ করলেন।

হামযা দৃষ্টি উচু করে তাদের দিকে তাকালেন। আর বললেন, তোমরা আমার বাপ-দাদার দাস বটে। হামযা রা.-এর এ অবস্থা দেখে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিছনে সরে তাদের নিকট থেকে চলে আসলেন। ঘটনাটি শরাব হারাম হওয়ার আগেকার।

বুখারি হাদিস নং ২২২০ – জায়গীর।

হাদীস নং ২২২০

সুলাইমান ইবনে হারব রহ………..আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদেরকে বাহরাইনে কিছু জায়গীর দিতে চাইলেন।

তারা বলল, আমাদের মুহাজির ভাইদেরও শীঘ্রই তোমরা দেখবে, তোমাদের উপর অন্যদেরকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। তখন তোমরা সবর করবে, যে পর্যন্ত না তোমরা আমার সঙ্গে মিলিত হও।

বুখারি হাদিস নং ২২২১ – পানির কাছের উটের দুধ দোহন করা।

হাদীস নং ২২২১

ইবরাহীম ইবনে মুনযির রহ………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, উটের হক এই যে, পানির কাছে তার দুধ দোহন করা।

বুখারি হাদিস নং ২২২২ – খেজুরের বা অন্য কিছুর বাগানে কোন লোকের চলার পথ কিংবা পানির কূপ থাকা।

হাদীস নং ২২২২

আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ রহ………আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি খেজুর গাছ তাবীর করার পর গাছ বিক্রয় করে, তার ফল বিক্রেতার।

কিন্তু ক্রেতা শর্ত করলে তা তারই। কিন্তু যদি ক্রেতা শর্ত করে তাহলে তা হবে তার। মালিক রহ………উমর রা. থেকে গোলাম বিক্রয়ের ব্যাপারে অনুরূপ বর্ণিত রয়েছে।

 পানি সিঞ্চন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২২২৩

হাদীস নং ২২২৩

মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ রহ……….যায়েদ ইবনে সাবিত রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমান করে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে আরায়্যা বিক্রি অনুমতি দিয়েছেন।

বুখারি হাদিস নং ২২২৪

হাদীস নং ২২২৪

আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ রহ……….জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুখাবারা, মুহাকালা ও শুকনো খেজুরের বিনিময়ে গাছের খেজুর বিক্রি করা এবং ফল উপযুক্ত হওয়ার আগে তা বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন।

গাছে থাকা অবস্থায় ফল দিনার বা দিরহামের বিনিময়ে ছাড়া যেন বিক্রি করা না হয়। তবে আরায়্যার অনুমতি দিয়েছেন।

বুখারি হাদিস নং ২২২৫

হাদীস নং ২২২৫

ইয়াহইয়া ইবনে কাযাআ রহ……..আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমান করে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে পাঁচ ওসাক কিংবা তার চাইতে কম আরায়্যার বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন।বর্ণনাকারী দাউদ এ বিষয়ে সন্দেহ করেছেন।

 পানি সিঞ্চন অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২২২৬

হাদীস নং ২২২৬

যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া রহ………..রাফি ইবনে খাদিজ ও সাহল ইবনে আবু হাসমা রা. থেকে বর্ণিত, তাঁরা উভয়ে বর্ণনা করেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানা অর্থাৎ গাছে ফল থাকা অবস্থায় তা শুকনা ফলের বিনিময়ে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু যারা আরায়্যা করে, তাদের জন্য তিনি এর অনুমতি দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ

মদীনার ফযীলত অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

সাওম অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

সাওম অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

তারাবীহর সালাত অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

ই’তিকাফ অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

মন্তব্য করুন