তারাবীহর সালাত অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

তারাবীহর সালাত অধ্যায়

তারাবীহর সালাত অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৩য় খণ্ড

Table of Contents

তারাবীহর সালাত অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ১৮৮২ – কিয়ামে রমযানের (রমযানে তারাবীহর সালতের) ফজিলত।

হাদীস নং ১৮৮২

ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর রহ………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রমযান সম্পর্কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি রমযানের ঈমানের সাথে সাওয়াব লাভের আশায় কিয়ামে রমযান অর্থাৎ তারাবীহর সালাত আদায় করবে তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হবে।

বুখারি হাদিস নং ১৮৮৩

হাদীস নং ১৮৮৩

আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ রহ……..আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রমযানে ঈমানের সাথে সাওয়াব লাভের আশায় তারাবীহর সালাতে দাঁড়াবে তা পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।

হাদীসের রাবী ইবনে শিহাব রহ. বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন এবং তারাবীহর ব্যাপারটি এ ভাবেই চালু ছিল। এমনকি আবু বকর রা.-এর খিলাফতকালে ও উমর রা.-এর খিলাফতের প্রথম ভাগে এরূপই ছিল।

ইবনে শিহাব রহ. উরওয়া ইবনে যুবাইর রহ. সূত্রে আবদুর রাহমান ইবনে আবদ আল-কারী রহ. থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রমাযানের এক রাতে উমর ইবনুল খাত্তাব রা.-এর সঙ্গে মসজিদে নববীতে গিয়ে দেখতে পাই যে, লোকেরা বিক্ষিপ্ত জামায়াতে বিভক্ত ।

কেউ একাকী সালাত আদায় করছে আবার কোন ব্যক্তি সালাত আদায় করছে এবং তার ইকতেদা করে একদল লোক সালাত আদায় করছে। উমর রা. বললেন, আমি মনে করি যে, এই লোকদের যদি আমি একজন ক্বারীর (ইমামের) পিছনে একত্রিত করে দেই, তবে তা উত্তম হবে।

এরপর তিনি উবাই ইবনে কাব রা.-এর পিছনে সকলকে একত্রিত করে দিলেন। পরে আর এক রাতে আমি তাঁর (উমর রা.) সঙ্গে বের হই। তখন লোকেরা তাদের ইমামের সাথে সালাত আদায় করছিল।

উমর রা. বললেন, কত না সুন্দর এই নতুন ব্যবস্থা ! তোমরা রাতের যে অংশে ঘুমিয়ে থাক তা রাতের ঐ অংশ অপেক্ষা উত্তম যে অংশে তোমরা সালাত আদায় কর, এর দ্বারা তিনি শেষ রাত বুঝিয়েছেন, কেননা তখন রাতের প্রথমভাগে লোকেরা সালাত আদায় করত।

বুখারি হাদিস নং ১৮৮৪

হাদীস নং ১৮৮৪

ইসমাঈল রহ……..নবী সহধর্মিণী আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করেন এবং তা ছিল রমযানে।

তারাবীহর সালাত অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৩য় খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ১৮৮৫

হাদীস নং ১৮৮৫

ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর রহ…….আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গভীর রাতে বের হয়ে মসজিদে সালাত আদায় করেন, কিছু সংখ্যক পুরুষ তাঁর পিছনে সালাত আদায় করেন। সকালে লোকেরা এ সম্পর্কে আলোচনা করেন, ফলে লোকেরা অধিক সংখ্যায় সমবেত হন।

তিনি সালাত আদায় করেন লোকেরা তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করেন। সকালে তাঁরা এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করেন। তৃতীয় রাতে মসজিদে মুসল্লীর সংখ্যা আরো বেড়ে যায়।

এরপর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে সালাত আদায় করেন ও লোকেরা তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করেন।

চতুর্থ রাতে মসজিদে মুসল্লীর সংকুলান হল না, কিন্তু তিনি রাতে আর বের না হয়ে ফজরের সালাতে বেরিয়ে আসলেন এবং সালাত শেষে লোকদের দিকে ফিরে প্রথমে তাওহীদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য দেওয়ার পর বললেন : শোন !

তোমাদের (গতরাতের) অবস্থান আমার অজানা ছিল না, কিন্তু আমি এই সালাত তোমাদের উপর ফরয হয়ে যাবার আশংকা করছি (বিধায় বের হই নাই)।

কেননা তোমরা তা আদায় করায় অপারগ হয়ে পড়তে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হল আর ব্যাপারটি এভাবেই থেকে যায়।

বুখারি হাদিস নং ১৮৮৬

হাদীস নং ১৮৮৬

ইসমাঈল রহ………আবু সালামা ইবনে আবদুর রাহমান রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি আয়িশা রা.-কে জিজ্ঞাসা করেন যে, রমযানে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত কিরূপ ছিল ?

তিনি বললেন, রমযান মাসে ও রমযান ছাড়া অন্য সময়ে (রাতে) তিনি এগারো রাকআত হতে বৃদ্ধি করতেন না। তিনি চার রাকআত সালাত আদায় করতেন, সে চার রাকআতের সৌন্দর্য ও দৈর্ঘ্য ছিল প্রশ্নাতীত।

এরপর চার রাকআত সালাত আদায় করতেন, তার সৌন্দর্য ও দৈর্ঘ্য ছিল প্রশ্নাতীত। এরপর তিন রাকআত সালাত আদায় করতেন। আমি (আয়িশা রা.) বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ !

আপনি বিতর আদায়ের আগে ঘুমিয়ে যাবেন ? তিনি বললেন : হে আয়িশা ! আমার দু’ চোখ ঘুমায় বটে কিন্তু আমার কালব নিদ্রাভিভূত হয় না।

তারাবীহর সালাত অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৩য় খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ১৮৮৭ – লাইলাতুল কাদর-এর ফজিলত।

হাদীস নং ১৮৮৭

আলী ইবনে আবদুল্লাহ রহ………..আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :

যে ব্যক্তি রমযানে ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় সাওম পালন করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হয় এবং যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে, সাওয়াব লাভের আশায় লাইলাতুল কাদরে রাত জেগে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হয়।

সুলাইমান ইবনে কাসীর রহ. যুহরী রহ. থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।

বুখারি হাদিস নং ১৮৮৮ – (রমযানের) শেষের সাত রাতে লাইলাতুল কাদরের সন্ধান কর।

হাদীস নং ১৮৮৮

আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ রহ……….ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কতিপয় সাহাবীকে স্বপ্নযোগে রমযানের শেষের সাত রাতে লাইলাতুল কাদর দেখানো হয়।

(এ শুনে) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : আমাকেও তোমাদের স্বপ্নের অনুরূপ দেখানো হয়েছে। (তোমাদের দেখা ও আমার দেখা) শেষ সাত দিনের ক্ষেত্রে মিলে গেছে। অতএব যে ব্যক্তি এর সন্ধান প্রত্যাশী, সে যেন শেষ সাত রাতে সন্ধান করে।

তারাবীহর সালাত অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৩য় খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ১৮৮৯

হাদীস নং ১৮৮৯

মুয়ায ইবনে ফাযালা রহ…….আবু সাঈদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে রমযানের মধ্যম দশকে ইতিকাফ করি।

তিনি বিশ তারিখের সকালে বের হয়ে আমাদেরকে সম্বোধন করে বললেন : আমাকে লাইলাতুল কাদর (-এর সঠিক তারিখ) দেখানো হয়েছিল পরে আমাকে তা ভূলিয়ে দেয়া হয়েছে। তোমরা শেষ দশকের বেজোড় রাতে তার সন্ধান কর। আমি দেখতে পেয়েছি যে, আমি (ঐ রাতে) কাদা-পানিতে সিজদা করছি ।

অতএব যে ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ইতিকাফ করেছে, সে যেন ফিরে আসে (মসজিদ হতে বের হয়ে না)। আমরা সকলে ফিরে আসলাম (থেকে গেলাম)।

আমরা আকাশে হাল্কা মেঘ খণ্ডও দেখতে পাই নাই। পরে মেঘ দেখা দিল ও এমন জোরে বৃষ্টি হল যে, খেজুরের শাখায় তৈরী মসজিদের ছাদ দিয়ে পানি ঝরতে লাগল।

সালাত শুরু করা হলে আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কাদা-পানিতে সিজদা করতে দেখলাম। পরে তাঁর কপালে আমি কাদার চিহ্ন দেখতে পাই।

বুখারি হাদিস নং ১৮৯০ – রমযানের শেষ বেজোড় রাতে লাইলাতুল কাদর সন্ধান করা।

হাদীস নং ১৮৯০

কুতাইবা ইবনে সাঈদ রহ……..আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তোমরা রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কাদরের সন্ধান কর।

তারাবীহর সালাত অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৩য় খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ১৮৯১

হাদীস নং ১৮৯১

ইবরাহীম ইবনে হামযা রহ………আবু সাঈদ খুদরী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাসের মাঝের দশকে ইতিকাফ করেন।

বিশ তারিখ অতীত হওয়ার সন্ধ্যায় এবং একুশ তারিখের শুরুতে তিনি এবং তাঁর সঙ্গে যারা ইতিকাফ করেছিলেন সকলেই নিজ নিজ বাড়ীতে প্রস্থান করেন এবং তিনি যে মাসে ইতিকাফ করেন ঐ মাসের যে রাতে ফিরে যান সে রাতে লোকরেদ সামনে ভাষণ দেন।

আর তাতে মাশাআল্লাহ, তাদেরকে বহু নির্দেশ দান করেন, তারপর বলেন যে, আমি এই দশকে ইতিকাফ করেছিলাম। এরপর আমি সিদ্ধান্ত করেছি যে, শেষ দশকে ইতিকাফ করব।

যে আমার সঙ্গে ইতিকাফ করেছিল সে যেন তার ইতিকাফস্থলে থেকে যায় । আমাকে সে রাত দেখানো হয়েছিল, পরে তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। (নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন) শেষ দশকে ঐ রাতের তালাশ কর এবং প্রত্যেক বেজোড় রাতে তা তালাশ কর।

আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, ঐ রাতে আমি কাদা-পানিতে সিজদা করছি। ঐ রাতে আকাশে প্রচুর মেঘের সঞ্চার হয় এবং বৃষ্টি হয়। মসজিদে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাতের স্থানেও বৃষ্টির পানি পড়তে থাকে।

এটা ছিল একুশ তারিখের রাত। যখন তিনি ফজরের সালাত শেষে ফিরে বসেন তখন আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে দেখতে পাই যে, তাঁর মুখমণ্ডল কাদা-পানি মাখা।

বুখারি হাদিস নং ১৮৯২

হাদীস নং ১৮৯২

মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না রহ……….আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, তোমরা (লাইলাতুল কাদর) তালাশ কর।

তারাবীহর সালাত অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৩য় খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ১৮৯৩

হাদীস নং ১৮৯৩

মুহাম্মদ রহ……….আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন এবং বলতেন : তোমরা রমযানের শেষ দশকে লাইলাতুল কাদর তালাশ কর।

বুখারি হাদিস নং ১৮৯৪

হাদীস নং ১৮৯৪

মূসা ইবনে ইসমাঈল রহ……..ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তোমরা তা (লাইলাতুল কাদর) রমযানের শেষ দশকে তালাশ কর। লাইলাতুল কাদর (শেষ দিক হতে গণনায়) নবম, সপ্তম বা পঞ্চম রাত অবশিষ্ট থাকে।

বুখারি হাদিস নং ১৮৯৫

হাদীস নং ১৮৯৫

আবদুল্লাহ ইবনে আবুল আসওয়াদ রহ……….ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তা শেষ দশকে, তা অতিবাহিত নবম রাতে অথবা অবশিষ্ট সপ্তম রাতে অর্থাৎ লাইলাতুল কাদর।

ইবনে আব্বাস রা. থেকে অন্য সূত্রে বর্ণিত যে, তোমরা ২৪তম রাতে তালাশ কর।

বুখারি হাদিস নং ১৮৯৬ – মানুষের পারস্পারিক ঝগড়া-বিবাদের কারণে লাইলাতুল কাদরের সুনির্দিষ্ট তারিখের জ্ঞান উঠিয়ে নেওয়া।

হাদীস নং ১৮৯৬

মুহাম্মদ ইবনে মুসান্না রহ……..উবাদা ইবনুস সামিত রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে লাইলাতুল কদরের (নির্দিষ্ট তারিখের) অবহিত করার জন্য বের হয়েছিলেন।

তখন দু’জন মুসলমান ঝগড়া করছিল। তা দেখে তিনি বললেন : আমি তোমাদেরকে লাইলাতুল কাদরের সংবাদ দিবার জন্য বের হয়েছিলাম, তখন অমুক অমুক ঝগড়া করছিল, ফরে তার (নির্দিষ্ট তারিখের) পরিচয় হারিয়ে যায়।

সম্ভবত : এর মধ্যে তোমাদের জন্য কল্যাণ নিহিত রয়েছে। তোমরা নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাতে তা তালাশ কর।

তারাবীহর সালাত অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৩য় খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ১৮৯৭ – রমযানের শেষ দশকের আমল।

হাদীস নং ১৮৯৭

আলী ইবনে আবদুল্লাহ রহ………আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন রমযানের শেষ দশক আসত তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর লুঙ্গি কষে নিতেন (বেশী বেশী ইবাদতের প্রস্তুতি নিতেন) এবং রাত্রে জেগে থাকতেন ও পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন।

আরও পড়ুনঃ

সালাতের ওয়াক্তসমূহ অধ্যায় -সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) -২য় খণ্ড

সালাত অধ্যায় -সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) -১ম খণ্ড

তায়াম্মুম অধ্যায় -সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) -১ম খণ্ড

হায়য অধ্যায় -সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) -১ম খণ্ড

গোসল অধ্যায় -সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) -১ম খণ্ড

 

মন্তব্য করুন