ইজারা অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৪র্থ খণ্ড

ইজারা অধ্যায়

 ইজারা অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

Table of Contents

ইজারা অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১২০ – প্রয়োজনে অথবা কোন মুসলমান পাওয়া না গেলে মুশরিকদেরকে মজদুর নিয়োগ করা।

হাদীস নং ২১২০

ইবরাহীম ইবনে মূসা রহ…………আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বকর রা. বনূ দীল ও বনূ আবদ ইবনে আদী গোত্রের একজন অত্যন্ত হুশিয়ার ও অভিজ্ঞ পথপ্রদর্শক মজদুর নিয়োগ করেন।

এ লোকটি আস ইবনে ওয়াইল গোত্রের সাথে মৈত্রী চুক্তিতে আবদ্ধ ছিল আর সে কুরায়শী কাফিরদের ধর্মাবলম্বী ছিল। তাঁরা দু’জন (নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার উপর আস্থা রেখে নিজ নিজ সাওয়ারী তাকে দিয়ে দিলেন এবং তিনি রাত পর এগুলো সাওর পাহাড়ের গুহায় নিয়ে আসতে বলেন।

সে তিন রাত পর সকালে তাদের সাওয়ারী নিয়ে তাদের কাছে উপস্থিত হল। তারপর তাঁরা দু’জন রওয়ানা করলেন। তাদের সাথে আমির ইবনে ফুহাইরা ও দীল গোত্রের পথপ্রদর্শক সে লোকটিও ছিল।সে তাদেরকে (সাগরের) উপকূলের পথ ধরে নিয়ে গেল।

বুখারি হাদিস নং ২১২৩ – পতনোন্মুখ কোন দেয়াল খাড়া করে দেওয়ার জন্য মজদুর নিয়োগ করা বৈধ ।

হাদীস নং ২১২৩

ইবরাহীম ইবনে মূসা রহ………উবাই ইবনে কাব রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তারা উভয়ে (খিযির ও মূসা আ.) চলতে লাগলেন, সেখানে তারা এক পতনোন্মুখ প্রাচীর দেখতে পেলেন।

সাঈদ রহ. তার হাত দিয়ে ইশারা করে দেখালেন এভাবে এবং (খিযির) উভয়ে হাত তুললেন এতে দেয়াল ঠিক হয়ে গেল হাদীসের অপর বর্ণনাকারী ইয়ালা রহ. বলেন, আমার ধারণা যে সাঈদ রহ. বলেছেন, তিনি (খিযির) দেয়ালটির উপর হাত বুলিয়ে দিলেন, ফলে তা সোজা হয়ে গেল ।

মূসা আ. (খিযিরকে) বলেন, আপনি ইচ্ছা করলে এ কাজের জন্য পারিশ্রমিক নিতে পারতেন। সাঈদ রহ. বর্ণনা করেন যে, এমন পারিশ্রমিক নিতে পারতেন যা দিয়ে আপনার আহার চলত।

বুখারি হাদিস নং ২১৪০ – পশুকে পাল দেওয়া।

হাদীস নং ২১৪০

মুসাদ্দাদ রহ………ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পশুকে পাল দেওয়ানো বাবদ বিনিময় নিতে নিষেধ করেছেন।

বুখারি হাদিস নং ২১১৭ – সৎ ব্যক্তিকে শ্রমিক নিয়োগ করা।

হাদীস নং ২১১৭

মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ রহ……..আবু মূসা আশআরী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আমানতদার খাজাঞ্চি, যাকে কোন কিছু আদেশ করা হলে সন্তুষ্টচিত্তে তা আদায় করে, সে হল দানকারীদের একজন।

 ইজারা অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১১৮

হাদীস নং ২১১৮

মুসাদ্দাদ রহ………আবু মূসা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির হলাম, আমার সঙ্গে আশআরী গোত্রের দু’জন লোক ছিল।

তিনি বলেন, আমি বললাম, আমি জানতাম না যে, এরা কর্ম প্রার্থী হবে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে ব্যক্তি কর্ম প্রার্থী হয়, আমরা আমাদের কাজে তাকে কখনো নিয়োজিত করি না অথবা বলেছেন কখনো করব না।

বুখারি হাদিস নং ২১১৯ – কয়েক কীরাতের বিনিময়ে বকরী চরানো।

হাদীস নং ২১১৯

আহমদ ইবনে মুহাম্মদ মক্কী রহ……….আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আল্লাহ তা’আলা এমন কোন নবী পাঠাননি, যিনি বকরী চরান নি।

তখন তাঁর সাহাবীগণ বলেন, আপনিও ? তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমি কয়েক কীরাতের বিনিময়ে মক্কাবাসীদের বকরী চরাতাম।

বুখারি হাদিস নং ২১২১ – যদি কোন ব্যক্তি এ শর্তে কোন শ্রমিক নিয়োগ করে যে, সে তিন দিন অথবা এক মাস অথবা এক বছর পর কাজ করে দেবে, তা জায়িজ। যখন নির্দিষ্ট সময় এসে যাবে, তখন উভয়েই তাদের নির্ধারিত শর্তসমূহের উপর বহাল থাকবে।

হাদীস নং ২১২১

ইহয়াহইয়া ইবনে বুকাইর রহ……… নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা রা.থেকে বর্ণিত, (হিজরতের ঘটনায়) তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবু বকর রা. বনূ দীল গোত্রের এক অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে পথ দেখিয়ে দেওয়ার জন্য মজদুর নিয়োগ করেন।

এ লোকটি কুরায়শী কাফিরদের ধর্মাবলম্বী ছিল। তাঁরা দু’জন (নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বকর রা.) নিজ নিজ সাওয়ারী তার নিকট সোপর্দ করলেন এবং এ মর্মে প্রতিশ্রুতি নিলেন যে, তিন রাত পর তৃতীয় দিন সকাল বেলা তাদের সাওয়ারী সাওর পাহাড়ের গুহায় নিয়ে আসবে।

বুখারি হাদিস নং ২১২২ – যুদ্ধে শ্রমিক নিয়োগ।

হাদীস নং ২১২২

ইয়াকুব ইবনে ইবরাহীম রহ………ইয়ালা ইবনে উমাইয়্যা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে জাইশল উসরাত অর্থাৎ তাবুকের যুদ্ধে লড়াই করেছিলাম।

আমার ধারণায় এটাই ছিল আমার সব চাইতে নির্ভরযোগ্য আমল। আমার একজন মজদুর ছিল। সে একজন লোকের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং তাদের একজন আরেক জনের আঙ্গুল দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে (বের করার জন্য) । সে আঙ্গুল টান দেয় । এতে তার (প্রতিপক্ষের) একটি সামনের দাঁত পড়ে যায়।

তখন লোকটি (অভিযোগ নিয়ে) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেল। কিন্তু তিনি (নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার দাঁতের ক্ষতিপূরণের দাবী বাতিল করে দিলেন এবং বললেন সে কি তোমার মুখ তার আঙ্গুল ছেড়ে রাখবে, আর তুমি তা (দাঁত দিয়ে) চিবুতে থাকবে?

বর্ণনাকারী (ইয়ালা রা.) বলেন, আমার মনে পড়ে তিনি (নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন : যেমন উট চিবায়। ইবনে জুরাইজ রহ. বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে আবু মুলায়কা রহ. তাঁর দাদার সুত্রে অনুরূপ একটি ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির হাত দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরল।

এতে (লোকটি তার হাত বের করার জন্য সজোড়ে টান দিলে) তার (যে কামড়ে দিয়েছিল) সামনের দাঁত পড়ে যায়। আবু বকর রা.-এর কোন ক্ষতিপূরণের দাবী বাতিল করে দেন।

 ইজারা অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১২৪ – দুপুর পর্যন্ত সময়ের জন্য শ্রমিক নিয়োগ করা।

হাদীস নং ২১২৪

সুলাইমান ইবনে হারব রহ……….ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তোমরা এবং উভয় আহলে কিতাব (ইয়াহুদী ও খৃষ্টান) -এর উদাহরণ হল এমন এক ব্যক্তির মত, যে কয়েকজন মজদুরকে কাজে নিয়োগ করে বলল, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এক কীরাত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আমার কাজ কে করবে ?

তখন ইয়াহুদী কাজ করে দিল। তারপর সে ব্যক্তি বলল, কে আছ যে, দুপুর থেকে আসর পর্যন্ত এক কীরাতের বিনিময়ে আমার কাজ করে দেবে ? তখন খৃষ্টান কাজ করে দিল ।

তারপর সে ব্যক্তি বলল কে আছ যে, আসর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দুই কীরাত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কাজ করবে ? আর তোমরাই হলে (মুসলমান) তার (যারা অল্প পরিশ্রমে অধিক পারিশ্রমিক লাভ করলে) তাঁতে ইয়াহুদী ও খৃষ্টানরা রাগান্বিত হল, তারা বলল, এটা কেমন কথা, আমরা কাজ করলাম বেশী, অথচ পারিশ্রমিক পেলাম কম।

তখন সে ব্যক্তি বলল, আমি তোমাদের প্রাপ্য কম দিয়েছি ? তারা বলল না। তখন সে বলল, সেটা আমার অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা দান করি।

বুখারি হাদিস নং ২১২৫ – আসরের সালাত পর্যন্ত মজদুর নিয়োগ করা।

হাদীস নং ২১২৫

ইসমাঈল ইবনে আবু উওয়াইস রহ………আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে খাত্তাব রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তোমাদের এবং ইয়াহুদী ও খৃষ্টানদের উদাহরণ এরূপ, যেমন এক ব্যক্তি কয়েকজন মজদুরকে কাজে নিয়োগ করে বলল, দুপুর পর্যন্ত এক কীরাত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আমার কাজ কে করবে ?

তখন ইয়াহুদীরা এক এক কীরাতের বিনিময়ে কাজ করে দিল। তারপর খৃষ্টানরা এক এক কীরাতের বিনিময়ে (আসর পর্যন্ত) কাজ করে দিল ।

তারপর তোমরাই যারা আসরের সালাতের সময় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দুই দুই কীরাতের বিনিময়ে কাজ করলে। তাঁতে ইয়াহুদী ও খৃষ্টানরা রাগান্বিত হল, তারা বলল, আমরা কাজ করলাম বেশী, অথচ পারিশ্রমিক পেলাম কম।

তখন সে ব্যক্তি বলল, আমি তোমাদের প্রাপ্য কম দিয়েছি ? তারা বলল না। তখন সে বলল, সেটা আমার অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা দান করি।

 ইজারা অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১২৬ – মজদুরকে পারিশ্রমিক প্রদান না করার গুনাহ।

হাদীস নং ২১২৬

ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ রহ………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আল্লাহ তা’আলা বলেন, কিয়ামতের দিন আমি তিন ব্যক্তির বিরোধী থাকব।

তাদের এক ব্যক্তি হল, যে আমার নামে প্রতিজ্ঞা করল, তারপর তা ভঙ্গ করল। আরেক ব্যক্তি হল যে আযাদ মানুষ বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করে।

অপর এক ব্যক্তি হল, যে কোন লোককে মজদুর নিয়োগ করল, এবং তার থেকে কাজ পুরাপুরি আদায় করল, অথচ তার পারিশ্রমিক দিল না।

বুখারি হাদিস নং ২১২৭ – আসর থেকে রাত পর্যন্ত মজদুর নিয়োগ করা।

হাদীস নং ২১২৭

মুহাম্মদ ইবনে আলা রহ……..আবু মূসা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : মুসলিম, ইয়াহুদী ও খৃষ্টানদের উদাহরণ এরূপ, যেমন কোন এক ব্যক্তি নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের বিনিময়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করার জন্য কিছু লোক নিয়োগ করল।

তারা দুপুর পর্যন্ত কাজ করে বলল, তুমি আমাদের যে পারিশ্রমিক দিতে চেয়েছিলে তাঁতে আমাদের প্রয়োজন নেই, আর আমরা যে কাজ করেছি, তা নিষ্ফল। সে ব্যক্তি (নিয়োগকর্তা) বলল, তোমরা এরূপ করবে না, বাকী কাজ পূর্ণ করে পুরো পারিশ্রমিক নিয়ে নাও।

কিন্তু তারা তা করতে অস্বীকার করল এবং কাজ করা বন্ধ করে দিল। এরপর সে অন্য দুজন মজদুর কাজে নিযুক্ত করল এবং তাদেরকে বলল, তোমরা এই দিনের বাকী অংশ পূর্ণ করে দাও।

আমি তোমাদেরকে সে পরিমাণ মজুরীই দিব, যা পূর্ববর্তীদের জন্য নির্ধারিত করেছিলাম। তখন তারা কাজ শুরু করল, কিন্তু যখন আসরের সালাতের সময় হল তখন তারা বলতে লাগল, আমরা যা করেছি তা নিষ্ফল, আর আপনি এর জন্য যে মজুরী নির্ধারণ করছেন তা আপনারই।

সে ব্যক্তি বলল, তোমরা বাকী কাজ করে দাও, দিনের তো সামান্যই বাকী রয়েছে। কিন্তু তারা অস্বীকার করল। তারপর সে ব্যক্তি অপর কিছু লোককে বাকী দিনের জন্য কাজে নিযুক্ত করল।

তারা বাকী দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত কাজ করল এবং পূর্ববর্তী দু’দলের পূর্ণ মজুরী নিয়ে নিল। এটা উদাহরণ হল তাদের এবং এই নূর (ইসলাম) যারা গ্রহণ করেছে তাদের।

 ইজারা অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১২৮ – কোন লোককে মজদুর নিয়োগ করার পর সে মজুরী না দিলে নিয়োগকর্তা সে ব্যক্তির মজুরীর টাকা কাজে খাটালো। ফলে তা বৃদ্ধি পেল এবং যে ব্যক্তি অন্যের সম্পদ কাজে লাগালো এতে তা বৃদ্ধি পেল।

হাদীস নং ২১২৮

আবুল ইয়ামান রহ………আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- কে বলতে শুনেছি, তোমাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে তিন ব্যক্তি সফরে বের হয়ে তারা রাত কাটাবার জন্য একটি গুহায় আশ্রয় নেয়।

হঠাৎ পাহাড় থেকে এক খন্ড পাথর পড়ে গুহার মুখ বন্ধ হযে যায়। তখন তারা নিজেদের মধ্যে বলতে লাগল তোমাদের সৎকর্যাবলীর ওসীলা নিয়ে আল্লাহর কাছে দু’আ করা ছাড়া আর কোন কিছুই এ পাথর থেকে তোমাদেরকে মুক্ত করতে পারে না।

তখন তাদের মধ্যে একজন বলতে লাগল, হে আল্লাহ ! আমার পিতা-মাতা খুব বৃদ্ধ ছিলেন। আমি কখনো তাদের আগে আমার পরিবার-পরিজনকে কিংবা দাস-দাসীকে দুধ পান করাতাম না।

একদিন কোন একটি জিনিসের তালাশে আমাকে অনেক দূরে চলে যেতে হয়, কাজেই আমি তাদের ঘুমিয়ে পড়ার পূর্বে ফিরতে পারলাম না। আমি তাদের জন্য দুধ দোহায়ে নিয়ে এলাম। কিন্তু তাদেরকে ঘুমন্ত পেলাম। তাদের আগে আমার আমার পরিবার-পরিজন ও দাস-দাসীকে দুধ পান করতে দেওয়াটাও আমি পছন্দ করিনি।

তাই আমি তাদের জেগে উঠার অপেক্ষায় পেয়ালাটি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম। এবাবে ভোরের আলো ফুটে উঠল। তারপর তাঁরা জাগলেন এবং দুধ পান করলেন।

হে আল্লাহ ! যদি আমি তোমার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে এ কাজ করে থাকি, তবে এ পাথরের কারণে আমরা যে বিপদে পড়েছি, তা আমাদের হতে দূর করে দাও। ফলে পাথর সামান্য সরে গেল, কিন্তু তাঁতে তারা বের হতে পারল না। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তারপর দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ !

আমার এক চাচাতো বোন ছিল। সে আমার খুব প্রিয় ছিল। আমি তার সাথে সংগত হতে চাইলাম। কিন্তু সে বাঁধা দিল। তারপর এক বছর ভীষণ দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে সে আমার কাছে এল।

আমি তাকে একশ বিশ দীনার এ শর্তে দিলাম যে, সে আমার সাথে একান্তে মিলিত হবে, তাঁতে সে রাযী হল। আমি যখন সম্পূর্ণ সুযোগ লাভ করলাম , তখন সে বলল, আমি তোমাকে অবৈধভাবে মোহর ভাঙ্গার অনুমতি দিতে পারিনা।

ফলে সে আমার সর্বাধিক প্রিয় হওয়া সত্ত্বেও আমি তার সাথে সংগত হওয়া পাপ মনে করে তার কাছ থেকে ফিরে আসলাম এবং আমি তাকে যে স্বর্ণমুদ্রা দিয়েছিলাম, তাও ছেড়ে দিলাম। হে আল্লাহ ! আমি যদি এ কাজ তোমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য করে থাকি, তবে আমরা যে বিপদে পড়ে আছি তা দূর কর।

তখন সেই পাথরটি (আরো একটু) সরে গেল। কিন্তু তাঁতে তারা বের হতে পারছিল না। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তারপর তৃতীয় ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ !

আমি কয়েকজন মজদুর নিয়োগ করেছিলাম এবং আমি তাদেরকে তাদের মজুরীও দিয়েছিলাম, কিন্তু একজন লোক তার প্রাপ্য না নিয়ে চলেন গেল। আমি তার মজুরীর টাকা কাজে খাটিয়ে তা বাড়াতে লাগলাম। তাঁতে প্রচুর ধন-সম্পদ অর্জিত হল। কিন্তু কিছুকাল পর সে আমার নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর বান্দা !

আমাকে আমার মজুরী দিয়ে দাও। আমি তাকে বললাম, এসব উট, গরু-ছাগল ও গোলাম যা তুমি দেখতে পাচ্ছ, তা সবই তোমার মজুরী । সে বলল, হে আল্লাহর বান্দা ! তুমি আমার সাথে বিদ্রুপ করো না।

তখন আমি বললাম, আমি তোমার সাথে মোটেই বিদ্রুপ করছি না। তখন সে সবই গ্রহণ করল এবং নিয়ে চলে গেল। তা থেকে একটাও ছেড়ে গেল না।

হে আল্লাহ ! আমি যদি তোমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য এ কাজ করে থাকি, তবে আমরা যে বিপদে পড়েছি, তা দূল কর। তখন সে পাথরটি সম্পূর্ণ সরে গেল। তারপর তারা বেরিয়ে এসে পথ চলতে লাগল।

বুখারি হাদিস নং ২১২৯ – নিজেকে পিঠে বোঝা বহনের কাজে নিয়োজিত করে প্রাপ্ত মজুরী থেকে সাদকা করা এবং বোঝা বহনকারীর মজুরী ।

হাদীস নং ২১২৯

সাঈদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ কুরাইশী রহ……..আবু মাসউদ আনসারী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সাদকা করার নির্দেশ দিলে আমাদের মধ্যে কেউ কেউ বাজারে চলে যেত এবং বোঝা বহন করে এক মুদ (খাদ্য) মজুরী হিসাবে পেত (এবং তা থেকে দান করত) আর তাদের কারো কারো এখন লক্ষ মুদ্রা রয়েছে।

(বর্ণনাকারী শাকীক) বলেন, আমার ধারণা, এর দ্বারা তিনি (আবু মাসউদ) নিজেকে ইঙ্গিত করেছেন।

 ইজারা অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১৩০ – দালালীর মজুরী ।

হাদীস নং ২১৩০

মুসাদ্দাদ রহ………..ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাণিজ্যিক কাফেলার সাথে সাক্ষাৎ করা থেকে নিষেধ করেছেন, এবং শহরবাসী, গ্রামবাসীর পক্ষে বেচা-কেনা করবে না।

(রাবী তাউস রহ.) বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে ইবনে আব্বাস, শহরবাসী গ্রামবাসীর পক্ষে বেচা-কেনা করবে না-এর কথার অর্থ কি ? তিনি বললেন, শহরবাসী গ্রামবাসীর পক্ষে দালাল হবে না।

বুখারি হাদিস নং ২১৩১ – কোন (মুসলিম) ব্যক্তি নিজেকে দারুল হারবের কোন মুশরিকের মজদুর বানাতে পারবে কি ?

হাদীস নং ২১৩১

আমর ইবনে হাফস রহ…….খাব্বাব রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একজন কর্মকার ছিলাম। আমি আস ইবনে ওয়ায়িলের তরবারি বানিয়ে দিলাম। তার নিকট আমার পাওনা কিছু মজুরী জমে যায়। আমি পাওনা টাকার তাগাদা দিতে তার কাছে গেলাম।

সে বলল, আল্লাহর কসম ! আমি তোমাকে টাকা দিব না, যে পর্যন্ত না তুমি মুহাম্মদকে অস্বীকার করবে। আমি বললম, আল্লাহর কসম, আমি তা করব না, যে পর্যন্ত না তুমি মৃত্যুবরণ করবে, তারপর পুনরুত্থিত হবে। সে বলল, আমি কি মৃত্যুর পর পুনরুত্থিত হব ? আমি বললাম, হ্যাঁ।

সে বলল, তাহলে তো সেখানে আমার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিও হবে । তখন আমি তোমার পাওনা পরিশোধ করে দিব। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করলেন।

আপনি কি সে ব্যক্তিকে দেখেছেন, যে আমার নিদর্শন সমূহ অস্বীকার করে এবং বলে আমাকে (পরকালে) অবশ্যই ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দেওয়া হবে (২ : ৭৭)।

বুখারি হাদিস নং ২১৩২ – আরব কবীলায় সূরা ফাতিহা পড়ে ঝাড়-ফুক করার বিনিময়ে কিছু দেওয়া হলে।

হাদীস নং ২১৩২

আবু নুমান রহ………আবু সাঈদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একদল সাহাবী কোন এক সফরে যাত্রা করেন।

তারার এক আরব গোত্রে পৌছে তাদের মেহমান হতে চাইলেন। কিন্তু তারা তাদের মেহমানদারী করতে অস্বীকার করল।সে গোত্রের সরদার বিচ্ছু দ্বারা দংশিত হল। লোকেরা তার জন্য সব ধরনের চেষ্টা করল।

কিন্তু কিছুতেই কোন উপকার হল না। তখন তাদের কেউ বলল, এ কাফেলা যারা এখানে অবতরণ করেছে তাদের কাছে তোমরা গেলে ভাল হত। সম্ভাবত, তাদের কারো কাছে কিছু থাকতে পারে।

ওরা তাদের নিকট গেল এবং বলল, হে যাত্রীদল ! আমাদের সরদারকে বিচ্ছু দংশন করেছে, আমরা সব রকমের চেষ্টা করেছি, কিন্তু কিছুতেই উপকার হচ্ছে না। তোমাদের কারো কাছে কিছু আছে কি ? তাদের একজন বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম আমি ঝাড়-ফুক করতে পারি।

আমরা তোমাদের মেহমানদারী কামনা করেছিলাম, কিন্তু তোমরা আমাদের জন্য মেহমানদারী করনি। কাজেই আমি তোমাদের ঝাড়-ফুক করব না, যে পর্যন্ত না তোমরা আমাদের পারিশ্রমিক নির্ধারণ কর। তখন তারা এক পাল বকরীর শর্তে তাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হল।

তারপর তিনি গিয়ে আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন (সূরা ফাতিহা) পড়ে তার উপর ফু দিতে লাগলেন। ফলে সে (এমনভাবে নিরাময় হল) যেন বন্ধন থেকে মুক্ত হল এবং সে এমনভাবে চলতে ফিরতে লাগল যেন তার কোন কিছু ছিল না।

(বর্ণনাকারী বলেন, ) তারপর তারা তাদের স্বীকৃত পারিশ্রমিক পুরোপুরি দিয়ে দিল। সাহাবীদের কেউ কেউ বলেন, এগুলো বন্টন কর। কিন্তু যিনি ঝাড়-ফুক করেছিলেন, তিনি বললেন এটা করব না, যে পর্যন্ত না আমরা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে তাকে এই ঘটনা জানাই এবং লক্ষ্য করি তিনি আমাদের কি হুকুম দেন।

তারা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে ঘটনা বর্ণনা করলেন। তিনি বলেন, তুমি কিভাবে জানলে যে, সূরা ফাতিহা একটি দু’আ ? তারপর বলেন, তোমরা ঠিকই করেছ।

বন্টন কর এবং তোমাদের সাথে আমার জন্যও একটা অংশ রাখ। এ বলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন এবং শুবা রহ. বলেন, আমার নিকট আবু বিশর রহ. বর্ণনা করেছেন যে, আমি মুতাওয়াক্কিল থেকে এ হাদীস শুনেছি।

 ইজারা অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১৩৩ – গোলামের উপর মাসুল নির্ধারণ এবং বাদীর মাসুলের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখা।

হাদীস নং ২১৩৩

মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ রহ………..আনাস ইবনে মালিক রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু তায়বা রা. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে শিংগা লাগিয়েছিলেন।

তিনি তাকে এক সা’ কিংবা দু’ সা খাদ্য দিতে আদেশ করলেন এবং তার মালিকের সাথে আলোচনা করে তার উপর ধার্যকৃত মাসুল কমিয়ে দিলেন।

বুখারি হাদিস নং ২১৩৪ – শিংগা প্রয়োগকারীর উপার্জন।

হাদীস নং ২১৩৪

মূসা ইবনে ইসমাঈর রহ……..ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিংগা নিয়েছিলেন এবং শিংগা প্রয়োগকারীকে তার পারিশ্রমিক দিয়েছিলেন।

বুখারি হাদিস নং ২১৩৫ – যদি কোন ব্যক্তি মজদুর নিয়োগ করে সময়সীমা উল্লেখ করল, কিন্তু কাজের উল্লেখ করল না (তবে তা জায়িয)।

হাদীস নং ২১৩৫

মুসাদ্দাদ রহ………ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিংগা লাগিয়েছিলেন এবং শিংগা প্রয়োগকারীকে পারিশ্রমিক দিয়েছিলেন। যদি তিনি তা অপছন্দ করতেন তবে তাকে (পারিশ্রমিক) দিতেন না।

বুখারি হাদিস নং ২১৩৬

হাদীস নং ২১৩৬

আবু নুআইম রহ…….আমর ইবনে আমির রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস রা.-কে বলতে শুনেছি যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিংগা লাগাতেন এবং কোন লোকের পারিশ্রমিক কম দিতেন না।

বুখারি হাদিস নং ২১৩৭

হাদীস নং ২১৩৭

আদম রহ……….আনাস ইবনে মালিক রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিংগা প্রয়োগকারী এক গোলামকে দিতে নির্দেশ দিলেন। এরপর তার ব্যপারে (তার মালিকের সাথে) কথা বললেন, ফলে তার উপর ধার্যকৃত মাসুল কমিয়ে দেওয়া হল।

বুখারি হাদিস নং ২১৩৮ – পতিতা ও দাসীর উপার্জন ।

হাদীস নং ২১৩৮

কুতাইবা ইবনে সাঈদ রহ………আবু মাসউদ আনসারী রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, পতিতার উপার্জন এবং গণকের পারিতোষিক নিষিদ্ধ করেছেন।

বুখারি হাদিস নং ২১৩৯

হাদীস নং ২১৩৯

মুসলিম ইবনে ইবরাহীম রহ……….আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাসীদের অবৈধ উপার্জন নিষিদ্ধ করেছেন।

 ইজারা অধ্যায় - সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৪র্থ খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ২১৪১ – যদি কেউ জমি ইজারা নেয় এবং তাদের দু’জনের কেউ মারা যায়।

হাদীস নং ২১৪১

মূসা ইবনে ইসমাঈল রহ………আবদুল্লাহ (ইবনে উমর) রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের জমি (ইয়াহুদীদেরকে) এ শর্তে দিয়েছিলেন যে, তারা তাঁতে কৃষি কাজ করে ফসল উৎপাদন করবে এবং উৎপাদিত ফসলের অর্ধেক তাদের প্রাপ্য হবে।

ইবনে উমর রা. নাফি রহ.-কে বলেছেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যামানায় কিছু মূল্যের বিনিময়ে যার পরিমাণটা নাফি রহ. নির্দিষ্ট করে বলেছিলেন, কিন্তু আমার মনে নেই, জমি ইজারা দেওয়া হত।

রাফি ইবনে খাদীজ রা. রিওয়ায়েত করেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শস্যক্ষেত বর্গা দিতে নিষেধ করেছেন।

উবায়দুল্লাহ রহ. নাফি রহ.-এর বরাত দিয়ে ইবনে উমর রা. থেকে (এটুকু অতিরিক্ত) বর্ণনা করেছেন যে, উমর রা. কর্তৃক ইয়াহুদীদেরকে তাড়িয়ে দেয়া পর্যন্ত (খায়বারের জমি তাদের নিকট ইজারা দেওয়া হত)।

আরও পড়ুনঃ

হজ্জ অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

মদীনার ফযীলত অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

সাওম অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

সাওম অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

তারাবীহর সালাত অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৩য় খণ্ড

 

 

 

মন্তব্য করুন