আচার ব্যবহার অধ্যায় ৬ষ্ঠ পার্ট । সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) । ৯ম খণ্ড

আচার ব্যবহার অধ্যায় ৬ষ্ঠ পার্ট

আচার ব্যবহার অধ্যায় ৬ষ্ঠ পার্ট । সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) । ৯ম খণ্ড

আচার ব্যবহার অধ্যায় ৬ষ্ঠ পার্ট । সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) । ৯ম খণ্ড

বুখারি হাদিস নং ৫৭০১-৫৭৯৩

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮১ | 5781 | ۵۷۸۱

পরিচ্ছদঃ ২৫৫০. আসমানের দিকে চোখ তোলা। মহান আল্লাহর বানীঃ “লোকেরা কি উষ্ট্রের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে।

আর তারা কি আসমানের দিকে তাকায় না যে, তা কিভাবে এত উচু করে রাখা হয়েছে” আয়শা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, একদিন নবী (সাঃ) আসমানের দিকে মাথা তোলেন
৫৭৮১।

ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ এরপর আমার প্রতি ওহী আসা বন্ধ হয়ে গেল।

এ সময় আমি হেঁটে যাচ্ছিলাম। তখন আমি আসমানের দিক থেকে একটি শব্দ শুনে আকাশের দিকে চোখ তুললাম। তখন আকস্মিকভাবে ঐ ফিরিশতাকে আসমান ও যযীনের মাঝখানে একটি কুরসীর উপর উপবিষ্ট দেখতে পেলাম, যিনি হেরায় আমার নিকট এসেছিলেন।

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮২ | 5782 | ۵۷۸۲

পরিচ্ছদঃ ২৫৫০. আসমানের দিকে চোখ তোলা। মহান আল্লাহর বানীঃ “লোকেরা কি উষ্ট্রের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর তারা কি আসমানের দিকে তাকায় না যে, তা কিভাবে এত উচু করে রাখা হয়েছে” আয়শা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, একদিন নবী (সাঃ) আসমানের দিকে মাথা তোলেন

৫৭৮২। ইবনু আবূ মারইয়াম (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক রাতে মায়মুনা (রাঃ) এর ঘরে অবস্থান করছিলাম। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তার গৃহে ছিলেন।

যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অথবা কিয়দংশ বাকী ছিল তখন তিনি উঠে বসলেন এবং আসমানের দিকে তাকিয়ে পাঠ করলেনঃ নিশ্চয়ই আসমানসমুহের ও যমীনের সৃষ্টি করার মধ্যে এবং দিন রাতের পরিবরর্তনে জ্ঞানীদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।

আচার ব্যবহার অধ্যায় ৬ষ্ঠ পার্ট । সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) । ৯ম খণ্ড

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮৩ | 5783 | ۵۷۸۳

পরিচ্ছদঃ ২৫৫১. (কোন কিছু তালাশ করার উদ্দেশ্যে) পানি ও কাদার মধ্যে লাঠি দিয়ে ঠোকা দেওয়া
৫৭৮৩। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। একবার তিনি মদিনার কোন এক বাগানে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলেন।

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে একটা লাঠি ছিল। তিনি তা দিয়ে পানি ও কাদার মাঝে ঠোকা দিচ্ছিলেন। এমন সময় এক ব্যাক্তি এসে দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন।

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন তার জন্য খুলে দাও এবং তাকে জান্নাতের সংবাদ দাও। তখন আমি গিয়ে দেখলাম যে, তিনি আবূ বকর (রাঃ)।

আমি তার জন্য দরজা খুলে দিলাম এবং জান্নাতের সংবাদ দিলাম। তারপর আরেক ব্যাক্তি দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তিনি বললেনঃ খুলে দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তখন দেখলামঃ তিনি উমর (রাঃ)।

আমি তাকে দরজা খুলে দিলাম এবং জান্নাতের সুসংবাদ জানালাম। আবার আরেক ব্যাক্তি দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তখন তিনি হেলান দিয়েছিলেন।

তিনি সোজা হয়ে বসে বললেনঃ খুলে দাও এবং তাকে (দুনিয়াতে) একটি কঠিন বিপদের সম্মুখীন হওয়ার মাধ্যমে জান্নাতবাসী হওয়ার সুসংবাদ দাও। আমি গিয়ে দেখি, তিনি উসমান (রাঃ) আমি তাকেও দরজা খুলে দিলাম এবং জান্নাতের শুভ সংবাদ দিলাম।

আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা ভবিষ্যৎ বানী করেন, আমি তাও বর্ণনা করলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তাআলা আমার সহায়ক।

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮৪ | 5784 | ۵۷۸٤

পরিচ্ছদঃ ২৫৫২. কারো হাতের কোন কিছু দিয়ে যমীনে ঠোকা মারা
৫৭৮৪। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) … আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, আমরা এক জানাযায় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সথে ছিলাম।

তিনি একটা লাকড়ী দিয়ে যমীনে ঠোকা দিয়ে বললেনঃ তোমাদের কোন ব্যাক্তি এমন নয় যার ঠিকানা জান্নাতে অথবা জাহান্নামে ফয়সালা হয়ে যায়নি। লোকেরা জিজ্ঞাসা করলঃ তা হলে কি আমরা তার উপর নির্ভর করব না।

তিনি বললেনঃ আমল করে যাও। কারন যাকে যে জন্য পয়দা করা হয়েছে, তা তার জন্য সহজ করে দেয়া হবে। (এরপর তিলাওয়াত করলেন) “যে ব্যাক্তি দান খয়রাত করবে, তাকওয়া অর্জন করবে …… শেষ পর্যন্ত”।

আচার ব্যবহার অধ্যায় ৬ষ্ঠ পার্ট । সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) । ৯ম খণ্ড

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮৫ | 5785 | ۵۷۸۵

পরিচ্ছদঃ ২৫৫৩. বিস্ময়বোধে “আল্লাহু আকবার” অথবা “সুবহানাল্লাহ” বলা
৫৭৮৫। আবূল ইয়ামান (রহঃ) … উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে উঠে বললেনঃ সুবহানাল্লাহ! অদ্যকার রাতে কত যে ধন-ভাণ্ডার এবং কত যে বিপদ-আপদ নাযিল করা হয়েছে।

কে আছ যে এ হুজরা বাসিনীদের অর্থাৎ তার বিবিদের জাগিয়ে দেবে? যাতে তারা সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে।

দুনিয়ার কত কাপড় পরিহিতা, আখিরাতে উলঙ্গ হবে! উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, আমি একদিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি আপনার বিবিগণকে তালাক দিয়েছেন? তিনি বললেনঃ না। তখন আমি বললামঃ আল্লাহু আকবার।

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮৬ | 5786 | ۵۷۸٦

পরিচ্ছদঃ ২৫৫৩. বিস্ময়বোধে “আল্লাহু আকবার” অথবা “সুবহানাল্লাহ” বলা
৫৭৮৬।

আবূল ইয়ামান ও ইসমাঈল (রহঃ) … আদী ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী সাফিয়্যা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রামাযানের শেষ দশ দিনে মসজিদে ইতিকাফ থাকা অবস্থায় তিনি তার সাথে দেখা করতে গেলেন।

তিনি রাতের প্রথম ভাগে কিছু সময় তার সঙ্গে কথেবার্তার পর ফিরে যাওয়ার জন্য দাঁড়ালেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এগিয়ে দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন।

অবশেষে যখন তিনি মসজিদেরই দরজার নিকট পৌছলেন, যা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী উম্মে সালামার ঘরের নিকটে অবস্থিত। তখন তাদের পাশ দিয়ে আনসারের দু’জন লোক চলে গেলে, তারা উভয়েই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সালাম দিল এবং নিজ পথে রওয়ানা হল।

তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেনঃ ধীরে চল। তিনি সাফিয়্যা বিনত হুইয়াহ। তারা বললোঃ সুবহানাল্লাহ! ইয়া রাসুলাল্লাহ! তাদের উভয়ের মনে তা গুরুত্বপূর্ন মনে হল।

তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের রক্তে চলাচল করে থাকে। তাই আমার আশংকা হলো যে, সম্ভবত সে তোমাদের অন্তরে সন্দেহের উদ্রেক করতে পারে।

আচার ব্যবহার অধ্যায় ৬ষ্ঠ পার্ট । সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) । ৯ম খণ্ড

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮৭ | 5787 | ۵۷۸۷

পরিচ্ছদঃ ২৫৫৪. ঢিল ছোঁড়া
৫৭৮৭। আদম (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল মুযানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঢিল ছুড়তে নিষেধ করেছেন।

আর বলেনঃ এ কোন শিকার মারতে পারবে না এবং শক্রকেও আহত করতে পারবে না বরং কারো চোখ ফুঁড়ে দিতে পারে আবার কারো দাত ভেংগে দিতে পারে।

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮৮ | 5788 | ۵۷۸۸

পরিচ্ছদঃ ২৫৫৫. হাঁচিদাতার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা
৫৭৮৮। মুহাম্মদ ইবনু কাসীর (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন একদিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দু’ব্যাক্তি হাঁচি দিল।

তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজনের জবাব দিলেন। অপরজনের জবাব দিলেন না। তাকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেনঃ এই বাক্তি আলহামদুলিল্লাহ বলেছে। আর ঐ ব্যাক্তি আলহামদুলিল্লাহ বলে নি। (তাই হাঁচির জবাব দেয়া হয় নি)।

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮৯ | 5789 | ۵۷۸۹

পরিচ্ছদঃ ২৫৫৬. হাঁচিদাতা ‘আলহামদুলিল্লাহরর জবাব দেয়া
৫৭৮৯।

সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) … বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাতটি কাজের আদেশ দিয়েছেন এবং সাতটি কাজ থেকে নিষেধ করেছেন।

রোগীর দেখাশোনা করতে, জানাযার সঙ্গে যেতে, হাঁচিদাতার জবাব দিতে, দাওয়াত গ্রহণ করতে, সালামের জবাব দিতে, মানুষের সাহায্য করতে এবং কসম পুরা করতে আমাদের আদেশ দিয়েছেন।

আর সোনার আংটি অথবা বালা ব্যবহার করতে, সাধারণ রেশমী কাপড় পরতে, মিহিন রেশমী কাপড়, রেশমী যিন ব্যবহার করতে, কাসীই ব্যবহার করতে এবং রৌপ্য পাত্র ব্যবহার করতে আমাদের নিষেধ করেছেন।

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৯০ | 5790 | ۵۷۹۰

পরিচ্ছদঃ ২৫৫৭. কিভাবে হাঁচির দু’আ মুস্তাহাব, আর কিভাবে হাই তোলা মাকরূহ
৫৭৯০। আদম ইবনু আবূ আয়াস (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত।

তিনি বলেন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ তা’আলা হাঁচি দেওয়া পছন্দ করেন, আর হাই তোলা অপছন্দ করেন।

সুতরাং কেউ হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে, যারা তা শুনবে তাদের প্রত্যেকের তার জবাব দেওয়া ওয়াজিব হবে। আর হাঁই তোলা, তাতো শয়তানের তরফ থেকে হয়ে থাকে, তাই যথাসাধ্য তা রোধ করা উচিত।

কারণ যখন কেউ মুখ তুলে হা করে তখন শয়তান তার প্রতি হাসে।

আচার ব্যবহার অধ্যায় ৬ষ্ঠ পার্ট । সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) । ৯ম খণ্ড

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৯১ | 5791 | ۵۷۹۱

পরিচ্ছদঃ ২৫৫৮. কেউ হাঁচি দিলে, কীভাবে জওয়াব দিতে হবে?
৫৭৯১। মালিক ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ হাঁচি দেয়, তখন সে যেন “আলহামুদুলিল্লাহ” বলে।

আর তার শ্রোতা যেন এর জবাবে “ইয়ার হামুকাল্লাহ” বলে। আর যখন সে “ইয়ার হামুকাল্লাহ” বলবে তখন হাঁচিদাতা তাকে বলবেঃ “ইয়াহদিকুমুল্লাহ ওয়া ইয়ুসলিহু বালাকুম”।

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৯২ | 5792 | ۵۷۹۲

পরিচ্ছদঃ ২৫৫৯. হাঁচি দাতা ‘আলহামদুলিল্লাহ’ না বললে তার জবাব দেওয়া যাবে না
৫৭৯২। আদম (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত।

তিনি বলেন, একবার নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দুই ব্যাক্তি হাঁচি দিলেন। তিনি একজনের হাচির জবাব দিলেন এবং অপর ব্যাক্তির জবাব দিলেন না।

অপর ব্যাক্তিটি বললঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি তার হাঁচির জবাব দিলেন, কিন্তু আমার হাঁচির জবাব দিলেন না। তিনি বললেনঃ সে আলহামদুলিল্লাহ বলেছে, কিন্তু তুমি আলহামদুলিল্লাহ বলনি।

আচার ব্যবহার অধ্যায় ৬ষ্ঠ পার্ট । সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) । ৯ম খণ্ড

হাদিস নম্বরঃ ৫৭৯৩ | 5793 | ۵۷۹۳

পরিচ্ছদঃ ২৫৬০. যদি কেউ হাই তুলে, সে যেন নিজের হাত মুখে রাখে
৫৭৯৩। আসিম ইবনু আলী (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা হাঁচি দেওয়া পছন্দ করেন আর হাই তোলা অপছন্দ করেন।

যদি তোমাদের কেউ হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলে তবে প্রত্যেক মুসলমান শ্রোতার তার জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা ওয়াজিব। আর হাই তোলা শয়তানের তরফ থেকে হয়ে থাকে।

সুতরাং তোমাদের কারো হাই উঠলে সে যেন তা যথাসাধ্য রোধ করে। কারণ কেউ হাই তোললে শয়তান তার প্রতি হাসে।

আরও পড়ুনঃ

কুরবানী অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৯ম খণ্ড

আকীকা অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৯ম খণ্ড

ভরণ-পোষন অধ্যায় – সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) – ৯ম খণ্ড

শাহাদাত অধ্যায় পার্ট ১ । সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) । ৪র্থ খণ্ড

শাহাদাত অধ্যায় পার্ট ২ । সহিহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) । ৪র্থ খণ্ড

সহীহ বুখারী

মন্তব্য করুন